বন্দর প্রতিনিধি:
বন্দরে অপারেশন ডেভিল হান্টের অভিযানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলাকারীদের বেশ কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও এখনো বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে ওসমান দোসরদের মাঠ পর্যায়ের চাঁদাবাজ, বালুদস্য, ভুমিদস্যুসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। বিএনপির কতিপয় নেতার ছত্রছায়ায় মদনপুর থেকে শুরু করে মদনগঞ্জ এবং বন্দর ঘাট থেকে লাঙ্গলবন্দ ও কলাগাছিয়া পর্যন্ত সবক’টি অঞ্চলেই তারা দাবড়িয়ে বেড়াচ্ছে। এর মধ্যে ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন,মুসাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জুর হাসান,মদনপুরের জাতীয় পার্টির নেতা গোলাপ হোসেন,ধামগড়ের যুবলীগ নেতা আব্দুল কাদির,মুসাপুরের আওয়ামীলীগ নেতা মুরগী কাদির,একই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার মনোয়ার,৫নং ওয়ার্ডের লাভলী মেম্বার,৬নং ওয়ার্ডে সোহেল মেম্বার ও ৯নং ওয়ার্ডের মাহাবুব মেম্বার। মুসাপুরের মেম্বারদের মধ্যে মনোয়ার ,লাভলী,সোহেল ও বিল্লাল মেম্বার এলাকার নিরীহ লোকজনের কৃষি জমির মাটি জোরপূর্বক কেটে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করে আসছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তারা শামীম ওসমান এবং শামীম ওসমানের মিটিং মিছিলে প্রচুর লোক নিয়ে যোগদান করতেন। ওসমাদের শেল্টারে তারা এলাকায় রাম রাজত্ব কায়েম করতো। পট পরিবর্তণের পর পরই তারা নিজেদেরকে বিএনপির নেতা-কর্মী হিসেবে বিভিন্ন নেতাদের সঙ্গে মিশে গেছেন। এছাড়া ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার মাহাবুব আজমীর ওসমানের ড্রেজার ব্যবসা নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করতো এখনো সে ওই গ্রæপের অধীনে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ড্রেজার দস্যূতা ছাড়াও তার বিরুদ্ধে বন্দরের বিভিন্ন স্থান হতে ছিনতাই করা অটোরিকশা,ইজিবাইকসহ হাল্কা পরিবহণ ছিনতাই চক্রের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততারও অভিযোগ রয়েছে। এদিকে মুসাপুরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জুর হাসান মেম্বার এখন একক রাজত্ব গড়ে তুলেছেন। এক সময় ওসমানদের হুকুমের গোলাম হয়ে কাজ করা এই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তার ইউনিয়নের স্বঘোষিত রাজা বনে গেছেন। ওসমানদের অবর্তমানে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন বলেও এমন কথা উঠে এসেছে ইউনিয়নের অনেক ব্যক্তির মুখে মুখে। তারা আরো জানান,মঞ্জু মেম্বার ইউনিয়নের বিভিন্ন বিচারে মোটা অংকের টাকা নিয়ে রায় প্রদান করেন। যে যত বেশি টাকা দেন তার পক্ষে সরাসরি রায় দেন। এতে কেউ কোন প্রতিবাদ করলে তার উপর নেমে আসে ভয়াল ঝড়