1. meghlatv24@gmail.com : bbcpresss :
  2. jahirulislam.siraj@gmail.com : Jahirul Siraj : Jahirul Siraj
বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়াল কলাগাছিয়া জাতীয় পার্টির অফিস ও হার্ডওয়ারের দোকানে অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষতিসাধন বন্দরে অপহরণ ঘটনার ৮ মাস পর অপহৃতা তরুণীকে ফেনী থেকে উদ্ধার আমার বক্তব্য বিকৃত করা হয়েছে : বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মুকুল অনুমতি ছাড়া মসজিদের ওয়াকফকৃত জমির মাটি কাটা ও দখলের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উপজেলা আওয়ামী লীগের আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত তদন্ত রিপোর্টও পুলিশের পক্ষে তাদের হেফাজতে নির্যাতনে নয়, তার মৃতুর কারণ সড়ক দূর্ঘটনা! রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ বন্দরে বৃদ্ধ নুরুল হক নিখোঁজ

বন্দরে ব্রহ্মপুত্র নদীতে বাদিং চার্জ আদায়ের নামে চলছে চাঁদাবাজি

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
  • সময়ঃ মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৩
আহসান উল্লাহ

বন্দরে ব্রহ্মপুত্র নদীতে বাদিং চার্জ আদায়ের নামে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে ঘাট ইজারাদার আহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে। সরকারি নিয়ম-নীতিকে তোয়াক্কা না করে নিজের মনগড়া মত নদী পথে চলাচলরত বালু ও মাটির ট্রলার থেকে ১৫’শ টাকা হতে ২ হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ঘাট আছে তবে সরকারি কোন পল্টনের দেখা মিলেনি ঐ স্থানে। পল্টন না থাকলেও ইজারাদার মোঃ আহসান উল্লাহ নিজের ইচ্ছে মত ঘাট পরিচালনা করে আসছে। দেখার যেন কেউ নেই!।

তথ্য সূত্রে জানা গেছে, শম্ভুপুরা- লাঙ্গলবন্দ ব্রহ্মপুত্র নদীতে বাদিং চার্জ শুল্ক আদায়ের ইজারা নেয় আহসান উল্লাহ নামে এক ব্যাক্তি। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে ৪ মাস পূর্বে এ ঘাটের ইজারা নেয় আহসান উল্লাহ। নারায়ণগঞ্জ দেওভোগ এলাকার শহিদুল্লাহ মিয়ার ভাই আহসান উল্যাহ মাসিক হারে প্রায় লক্ষাধিক টাকায় ইজারা নেয়। সরকারি কোষাগারে মাসিক লক্ষাধিক টাকা জমা হলেও প্রতিদিন বাদিং চার্জের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সে। সরকারি নিয়ম নীতিকে তোয়াক্কা না করে নিজের মনগড়া মত ব্লাক হেড থেকে টাকা আদায় করে নিচ্ছে তিনি। বালুর ট্রলার হতে টাকা নিলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টাকার ‘রশিদ’ দেয়া হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। টাকার রশিদ না দিলেও কেউ টু- শব্দ করতে সাহস পায় না। ইজারাদার প্রভাবশালী পরিবারের হওয়ায় সকল কিছু যেন তার কথা মতই চলে। নির্ধারিত স্থানে পল্টনে মালবাহী, বালু বা মাটির ট্রলার থামলে টাকা দেয়ার নিয়ম থাকলেও তা মানছে কে? চলন্ত কোন ট্রলার থামিয়ে টাকা নিলে তা চাঁদাবাজির আওতায় পড়ে। সকল কিছু দেখেও যেন অসহায় হয়ে পড়েছে স্থানীয় লোকজন। প্রশাসনের ভূমিকাও রহস্যজনক। সকল সেক্টর ম্যানেজ করে শম্ভুপুরা- লাঙ্গলবন্দ নদীতে বাদিং চার্জ আদায়ের নামে চলছে ব্যাপক চাঁদাবাজি।

এ ব্যাপারে ঘাট ইজাদার আহসান উল্লাহর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। সার্বিক বিষয়টি তদন্ত পূর্বক নদী পথে হয়রানি রোধে জেলা পুলিশ সুপারের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর
February 2023
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© ২০২১ | বিবিসি প্রেস © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | bbcpress.com
Theme Customized BY LatestNews