আজ: শুক্রবার | ৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৫শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি | রাত ১০:৩৪
শিরোনাম: সোনারগাঁয়ে লন্ডন প্রবাসীর পক্ষ থেকে দুস্থদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ     বন্দরে কৃষি জমির মাটি কেটে তৈরী করছে গভীর পুকুর,প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ     সোনারগাঁয়ে ইঞ্জিনিয়ার মাসুম এক অসহায়কে নগদ অর্থ প্রদান করলেন     সোনারগাঁয়ে ছিনতাইকারিদের ছুরিকাঘাতে অটোরিক্সা চালক আহত     সোনারগাঁওয়ে গ্রাম পুলিশের মাঝে সাইকেল হিজরাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ     কুষ্টিয়ায় মেছো বাঘ উদ্ধার     বন্দরে যৌতুক না পেয়ে নববধূ বিতারিত     বন্দরে জালনোটসহ জনতা কর্তৃক আটক-১     কলার থেকেও শতগুণ বেশি উপকারী খোসা!     স্বামী ও ভাসুরের নির্যাতন সইতে না পেরে বন্দরে ২ সন্তানের জননী আত্মহত্যা    
সংবাদ দেখার জন্য ধন্যবাদ

হরতাল দমিয়ে রাখতে পারেনি বইপ্রেমীদের

০৩ এপ্রিল, ২০২১ | ৪:৩০ অপরাহ্ণ | bpseraj | 33 Views

বাঙালীর চিন্তা-চেতনা আর সংস্কৃতিক গোড়ায় মিশে আছে প্রাণের আয়োজন অমর একুশে বইমেলা। তাই তো শত ঝড়-ঝাপ্টা আর প্রতিকূলতা ধমিয়ে রাখতে পারে না মেলাকে। গতকালও সারাদেশে হেফাজতে ইসলামের হরতাল-অবরোধ থাকলেও তা কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি মেলায়। সবকিছু উপেক্ষা করেই মেলায় এসেছে বইপ্রেমী আর দর্শনার্থীরা।

স্টল থেকে স্টলে ঘুরে কিনেছেন প্রিয় লেখকদের বই। বইপ্রেমীদের সবর উপস্থিতি মেলাকে করে তুলেছিল প্রাণবন্ত। সরেজমিনে বইমেলায় দেখা যায়, রীতি অনুযায়ী বিকাল ৩টায় খোলে মেলার দ্বার। এরপর থেকেই একে একে আসতে শুরু করেন বইপ্রেমীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে বইপ্রেমীদের ভিড়। সন্ধ্যার দিকে মেলা ফিরে পায় তার চিরচেনা রূপ।

বইমেলায় আগতরা বলছেন, সকাল থেকে হরতালের কারণে যান চলাচল অনেকটা কম ছিল। আমরা চিন্তায় ছিলাম মেলায় কিভাবে যাব। তবে বিকালের দিকে যান চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ায় ছুটে এসেছি প্রাণের মেলায়।

রাজধানীর প্রান্থপথ থেকে মেলায় এসেছেন মামুনুর রশীদ নামে এক পাঠক। তিনি বলেন, কাওরান বাজারে এসে দেখেছি গাড়ি কম। অনেক চেষ্টা করে গাড়িতে উঠতে পারি নাই। ফলে হেঁটে হেঁটে মেলায় চলে এসেছি। আসলে বইমেলার সঙ্গে আমাদের চেতনা জড়িয়ে রয়েছে। তাই সুযোগ পেলেই মেলায় আসা মিস করি না।

বাংলামোটর থেকে মেলায় এসেছেন হোসাইন মোহাম্মদ সাগর। তিনি বলেন, হরতাল কেন আমরা প্রতিক‚ল পরিস্থিতিও আমাদের ধমিয়ে রাখতে পারবে না। কারণ মেলা আমাদের প্রাণ। মেলায় আসলে অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে। মেলার সঙ্গে মিশে আছে আমাদের শিকড়, আমাদের অস্তিত্ব।

একাধিক প্রকাশক ও প্রকাশনা সংস্থার বিক্রয়কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সঙ্গত কারণেই ছুটির মেলায় বইপ্রেমীদের উপস্থিতি থাকে বেশি। ছুটির দিন ছাড়াও অন্য দিনেগুলোতেও বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি থাকে। গতকালও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। অন্য স্বাভাবিক দিনের মতো গতকালও মেলায় মানুষের উপস্থিতি ছিল।

এ প্রসঙ্গে মেলা আয়োজন কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলা একাডেমির সচিব ড. জালাল আহমদ বলেন, মেলায় ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। নতুন মাস শুরু হলে এপ্রিল মাস থেকে মানুষের উপস্থিতি আরো বাড়বে। এখন যারা আসতেন তাদের অনেকে আড্ডা দিচ্ছেন, বই দেখছেন আবার অনেকেই বই কিনছেন। আমরা আশা করছি এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই তারা আরো বেশি বই কিনতে শুরু করবেন। যতই প্রতিক‚ল পরিস্থিতি থাকুক বইমেলা সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

নতুন বই: গতকাল রবিবার মেলার ১১তম দিরে নতুন বই এসেছে ১২২টি। এর মধ্যে গল্প ১৮টি, উপন্যা ২০টি, প্রবন্ধ ৭টি, কবিতা ৪৪টি, ছড়া ২টি, শিশুসাহিত্য ১টি, জীবনী ৪টি, রচনাবলি ১টি, মুক্তিযুদ্ধ ২টি, নাটক ২টি, ইতিহাস ৩টি, রাজনীতি ১টি, বঙ্গবন্ধু ৩টি, রম্য/ধাঁধা ১টি, ধর্মীয় ২টি, অনুবাদ ১টি, ও অন্যান্য ১০টি।





Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »