1. meghlatv24@gmail.com : bbcpresss :
  2. jahirulislam.siraj@gmail.com : Jahirul Siraj : Jahirul Siraj
বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়াল কলাগাছিয়া জাতীয় পার্টির অফিস ও হার্ডওয়ারের দোকানে অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষতিসাধন বন্দরে অপহরণ ঘটনার ৮ মাস পর অপহৃতা তরুণীকে ফেনী থেকে উদ্ধার আমার বক্তব্য বিকৃত করা হয়েছে : বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মুকুল অনুমতি ছাড়া মসজিদের ওয়াকফকৃত জমির মাটি কাটা ও দখলের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উপজেলা আওয়ামী লীগের আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত তদন্ত রিপোর্টও পুলিশের পক্ষে তাদের হেফাজতে নির্যাতনে নয়, তার মৃতুর কারণ সড়ক দূর্ঘটনা! রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ বন্দরে বৃদ্ধ নুরুল হক নিখোঁজ

রূপগঞ্জে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
  • সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি,মোঃআবু কাওছার মিঠু

তাই শীত এলে গ্রামে-গঞ্জে পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে। গ্রামীণ হাটবাজারে নানা রকম পিঠা বিক্রি করা হয়। বিশেষ করে ভাপা পিঠা, তেলের পিঠা ও চিতাই পিঠা। এসব পিঠার সমাদর সবখানেই সমানভাবে রয়েছে। শীত বাড়ার সাথে সাথে শহরের পাশাপাশি গ্রামেও শীতের পিঠার ব্যবসা জমে উঠেছে।

রূপগঞ্জ উপজেলার আনাচে-কানাচে এখন এই শীতে পিঠা ব্যবসায়ীদের পিঠা বিক্রির হিড়িক পড়েছে। বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় চলছে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম। রূপগঞ্জ উপজেলা অলিগলিতে রাস্তার আশপাশেও পিঠাপুলির ভ্রাম্যমাণ দোকান বসে। এসব দোকানে কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্ক লোকেরা পিঠা তৈরি করে ক্রেতার কাছে বিক্রি করেন।

রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া বাজার, ভূলতা বাজার, কাঞ্চন বাজারসহ বিভিন্ন মোড়ে পিঠা বিক্রি করতে দেখা যায়। সন্ধ্যার পর থেকে ক্রেতাদের সমাগম বৃদ্ধি পায়। ক্রেতাদের সমাগমে বিক্রেতারাও খুশি। পিঠার দামও বেশি নয়। চিতই পিঠা ১০ টাকা ও ভাপা পিঠা ১০টাকা দরে বিক্রি করা হয়। এ ব্যবসায় লাভবান হচ্ছেন অনেক বিক্রেতা।
মুড়াপাড়া বাজারের পিঠা বিক্রেতা কামাল জানান, তিনি প্রতি শীত মৌসুমে পিঠা বিক্রি করেন। এসময় তার প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার টাকা বিক্রি হয়। যার মধ্যে প্রায় হাজার টাকার মতো তার লাভ তাকে। বিক্রি ভালো বিধায় সে খুশি।
হাটাব গ্রামের পিঠা বিক্রেতা রোবিয়া বেগম জানান, এই পিঠা দাম কম হওয়ায় সব ধরণের মানুষই এখানে ভিড় করেন পিঠা খেতে। কেউ কেউ আবার পিঠা কিনে নিয়ে যান বাসার খাওয়ার জন্য। অন্যদিকে বিভিন্ন রকমের ভর্তার পিঠাও রয়েছে। যাতে কাঁচামরিচ ও সরিষাবাটা থাকে।

বাজারের ব্যবসায়ী রবিউল আলম পিঠা খেতে এসে বলেন, আমি প্রতিদিনই সন্ধ্যার পর এসব দোকান থেকে পিঠা খাই। আগে যদিও বাড়িতে এসব পিঠা বানানোর হিড়িক পড়তো এখন তা আর দেখা যায় না।

এনজিওকর্মী সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি অফিস শেষ করে মাঝে মাঝে এসব দোকান থেকে পিঠা কিনে খাই। সন্ধ্যার নাস্তাও হয়, শীতের একটা আমেজও পাওয়া যায়। এসব পিঠা আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও এই ঐতিহ্যকে লালন করি।

শীতের সাথে পিঠার যে একটা নিবিড় সম্পর্ক তা ভাপা ও চিতল পিঠা খাওয়ার মধ্যেই বোঝা যায়। আর বন্ধুদের সাথে নিয়ে তা খেতে মজাই আলাদা। প্রায় দিনই তিনি পিঠা খান বলে এই প্রতিবেদককে জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর
February 2023
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© ২০২১ | বিবিসি প্রেস © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | bbcpress.com
Theme Customized BY LatestNews