আজ: শুক্রবার | ৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৫শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি | রাত ১০:৫৭
শিরোনাম: সোনারগাঁয়ে লন্ডন প্রবাসীর পক্ষ থেকে দুস্থদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ     বন্দরে কৃষি জমির মাটি কেটে তৈরী করছে গভীর পুকুর,প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ     সোনারগাঁয়ে ইঞ্জিনিয়ার মাসুম এক অসহায়কে নগদ অর্থ প্রদান করলেন     সোনারগাঁয়ে ছিনতাইকারিদের ছুরিকাঘাতে অটোরিক্সা চালক আহত     সোনারগাঁওয়ে গ্রাম পুলিশের মাঝে সাইকেল হিজরাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ     কুষ্টিয়ায় মেছো বাঘ উদ্ধার     বন্দরে যৌতুক না পেয়ে নববধূ বিতারিত     বন্দরে জালনোটসহ জনতা কর্তৃক আটক-১     কলার থেকেও শতগুণ বেশি উপকারী খোসা!     স্বামী ও ভাসুরের নির্যাতন সইতে না পেরে বন্দরে ২ সন্তানের জননী আত্মহত্যা    
সংবাদ দেখার জন্য ধন্যবাদ

বন্দরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

০৮ এপ্রিল, ২০২১ | ১:৫৪ অপরাহ্ণ | bpseraj | 223 Views

বন্দর(নারায়ণগঞ্জ)প্রতিনিধি
বন্দরে যুবককে কুপিয়ে ও এক হাত বিচ্ছিন্ন করে নৃশংস ভাবে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। গত বুধবার দিবাগত রাত পৌনে ১২ টার দিকে মদনপুরের আন্দিরপার এলাকায় শাইরা গার্ডেন রিসোর্টের প্রবেশ পথের সড়কে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। হত্যার ঘটনায় গ্রামবাসী উত্তেজিত হয়ে হত্যাকারীদের বাড়িঘরে হামলা ও অগ্নি সংযোগ করে। পুলিশ হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় মেম্বারের স্ত্রী ও ছেলেকে গ্রেফতার করে। নিহত যুবকের নাম মো. জুয়েল মিয়া(২৩)। সে আন্দিরপার গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। গ্রেফতারকৃতরা হলো শাহনাজ(৩৮) ও ইয়াসীন (১৭)। একই গ্রামের মো. তোতা মিয়ার ছোট ছেলে হালিমকে পূর্বে নিহত জুয়েলের বড় ভাই সোহেল মারধর করেছিল। পূর্বের মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে গরু জবাই করার ছুরি, চাপাতি দিয়ে এলোপাথারি ভাবে কুপিয়ে দেহ থেকে হাত বিচ্ছিন্ন করে নৃশংস ভাবে তোতা মিয়ার দুই ছেলে হালিম ও সেলিমসহ তার সহযোগী-৮-১০জন মিলে এ হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান। পুলিশ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানাগেছে, বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউপির আন্দিরপার গ্রামের মো. তোতা মিয়ার দুই ছেলে হালিম ও সেলিমের সঙ্গে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বের জের ধরে তিনদিন পূর্বে একই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে জুয়েল ও সোহেল দলবল নিয়ে হালিমকে মারধর করে। গত বুধবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে শাইরা গার্ডেন রিসোর্টের প্রবেশ পথের পাকা রাস্তায় উঠে দাঁড়ায় জুয়েল। জুয়েলের অবস্থান জেনে কিছুক্ষনের মধ্যেই তোতা মিয়ার দুই ছেলে হালিম ও সেলিমসহ তার সহযোগী-৮-১০জন গরু জবাই করার ছুরি, চাপাতি, রামদা এবং লোহার তৈরি দারালো দেশীয় অস্ত্র প্রত্যেকের হাতে নিয়ে জুয়েলকে চার দিকে ঘিরে এলোপাথারি ভাবে কোপাতে থাকে। এসময় দেহ থেকে তার একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। তার মৃত নিশ্চিত ভেবে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায় প্রতিপক্ষরা। এসময় হইহুল্লুর শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ঘুম থেকে উঠে এসে দেখেন জুয়েল মাটিতে পড়ে আছে। রাস্তার চার দিকেই রক্তে ভিজে গেছে পাকা রাস্তা। হালিম ও সেলিম দুই ভাই মিলে ছেলেকে কোপানো খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তার পরিবারের লোকজন স্থানীয় বারাকা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের ডাক্তার জুয়েলকে মৃত ঘোষনা করেন। এ হত্যাকান্ডের খবর পেয়ে নিহত জুয়েলের লোকেরা হত্যাকারীদের বাড়ি ঘরে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে। সংবাদ পেয়ে ধামগড় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আজিজুল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া নিয়ন্ত্রনে আনেন। পুলিশ এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় শাহজালাল মেম্বারের ছেলে ইয়াসীন (১৭) ও স্ত্রী শাহনাজ বেগম(৩৮) কে গ্রেফতার করে। বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)দীপক চন্দ্র সাহা হত্যাকান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয় হাসপাতাল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ হত্যাকান্ডের বিষয়ে খোজখবর নিচ্ছেন। ইতিমধ্যে ২জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে প্রকৃত খুনিদের চিহিৃত করে গ্রেপ্তারের আইনের আওতায় আনা হবে।





Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »