আজ: শনিবার | ১৭ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ৫ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি | সকাল ১১:০০
সংবাদ দেখার জন্য ধন্যবাদ

স্কুলছাত্র আরাফাত খুনির ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

০৩ এপ্রিল, ২০২১ | ৩:২৮ অপরাহ্ণ | bpseraj | 17 Views

বন্দর(নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: বন্দরে স্কুলছাত্র আরাফাত রহমানের খুনি রিপনের ফাঁসি ও খুনি পরিবারের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে গ্রামবাসী। শনিবার দুপুরে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের মদনপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করা হয়েছে। মানববন্ধনে অংশ নেয়া মদনপুর ইউনিয়নবাসী হুশিয়ারি উচ্চারণ করে খুনি পরিবারকে লাউসার গ্রামে ঢুকতে অবাঞ্চিত ঘোষনা করে। এবং  হত্যাকান্ডের পর থেকে ধামগড় ফাঁড়ির পুলিশ আসামির পক্ষে অবস্থান নিয়ে বাদির পরিবারকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করে যাচ্ছে বলে মানববন্ধনে অংশ নেয়া গ্রামবাসীর অভিযোগ। ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা, সাংবাদিকসহ ৫ শতাধিক নারী-পূরুষসহ উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, লাউসার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, ব্যবসায়ী আবুল কালাম, এবায়েদউল্লাহ, আব্দুল বাছেদ, মদনপুর ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, যুবলীগ নেতা পিয়ার আলী, মুসলিম, শুক্কুর আলী,  যুবলীগ নেতা ছগির আহম্মেদ, যুবলীগ নেতা আরিফ ও সুজন প্রমুখ।

উল্লেখ্য,২০২০ সালে ১৫ ডিসেম্বর রাতে বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য লাউসার গ্রামের রফিকুল ইসলাম মনা মেম্বারের ছোট ছেলে স্কুলছাত্র আরাফাত রহমানকে একই গ্রামের গ্রামের ইসলাম মিয়ার ছেলে রিপন অপরহণ করে নিয়ে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা করে  পাশ্ববর্তী পুকুরে লাশ ফেলে দেয়। হত্যাকান্ডের দুই দিন পর ১৭ ডিসেম্বর সকালে  পুকুর থেকে ভাসমান লাশ উদ্ধার করে পুলিশ ।এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত শিশু আরাফাতের মা রিনজু আক্তার বাদি হয়ে ঘাতক রিপনকে আসামি বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে আসামি রিপন আদালতে আত্নসর্পন করে।

খুনি রিপনকে পরকীয়া বাধা দেয়া ও  এলাকায়  একটি চুরির ঘটনায় বিচার সালিশে স্বাক্ষী দেয়ায় মনা মেম্বারের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে তার ছেলে আরাফাতকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।





Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »