আজ: শনিবার | ১৭ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ৫ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি | সকাল ১০:৪৭
সংবাদ দেখার জন্য ধন্যবাদ

টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিটাই জেমির কাছে মূল লক্ষ্য

০৩ এপ্রিল, ২০২১ | ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ | bpseraj | 15 Views

১৫ বছর পর দেশের বাইরে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলবে বাংলাদেশ। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী, স্বাধীনতার মাস সবকিছু এক বিন্দুতে মিলেছে। জামাল ভূঁইয়ারা সোমবার নেপালের কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে ট্রফি উঁচিয়ে ধরতে পারলে অনেক বড় প্রাপ্তি যোগ হবে বাংলাদেশের ফুটবলে।

তবে স্বাগতিক নেপালও যে ছাড় দেবে না সহজে তা অনুমেয়। নিজেদের ঘরের মাঠে তারাও যে শক্তিশালী দল। শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে উন্মুখ বালগোপাল মহারাজনের দল।

তিনজাতির আসরের শুরুটা ভালোই করেছে বাংলাদেশ দল। প্রথম ম্যাচে কিরগিজস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে ১-০ গোলে হারিয়ে। যদিও গোলটি ছিল আত্মঘাতী। নিজেদের পরের ম্যাচে স্বাগতিক নেপালের বিপক্ষে গোলশূন্যভাবে ড্র করে জেমি ডের দল।

অপরদিকে নেপাল নিজেদের প্রথম ম্যাচে কিরগিজস্তানের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করায় আগেভাগে ফাইনালে উঠে যায় বাংলাদেশ। ফলে শেষ ম্যাচটি নেপালের শুধু ড্র করলেই চলবে এমন সমীকরণের ম্যাচে ড্র করেই ফাইনাল নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।

নেপালের ত্রিদেশীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল সামনে রেখে বাংলাদেশ কোচ শোনালেন পুরনো কথাই-জুনের বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের আগে খেলোয়াড়দের পরখ করে নেয়াই মূল লক্ষ্য তার। অনেক দিন পর একটি আন্তর্জাতিক ট্রফি জয়ের হাতছানি বাংলাদেশের সামনে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের সামনে দাঁড়িয়েও ডে ভাবছেন আগামী জুনের বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের বাছাই নিয়ে।

‘শিরোপা নিয়ে আমি মোটেই চিন্তিত নই। জিততে পারলে দারুণ হবে। সেটা যদি নাও হয়, যে লক্ষ্য নিয়ে নেপালে এসেছিলাম; সেটা পূরণ করার সন্তুষ্টি নিয়েই ফিরব। ফাইনালের ফল নিয়ে না ভেবে আমি এখানে দলের সবাইকে সমান ম্যাচ খেলার সুযোগ দিতে চাই, যেন তারা জুনের বাছাইয়ের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।

ফাইনালের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ ও নেপাল কোনো দল গোল পায়নি; গোল হজমও করেনি। বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ জিতেছিল প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলে। গোলের সংকট কেবল বাংলাদেশ নয়, এশিয়ারই সমস্যা বলে মনে করেন ডে। তবে দুই ম্যাচে গোলের জন্য শিষ্যদের প্রচেষ্টায় খুশি এই ইংলিশ কোচ। শিষ্যদের প্রসঙ্গে জেমির কথা ‘আমি খুশি যে, শেষ দুই ম্যাচে একটি গোলও হজম করেনি দল। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে, খেলোয়াড়দের মধ্যে চেষ্টার কমতি দেখিনি।’

আশরাফুল ইসলাম রানা ও মোহাম্মদ জুয়েল ছাড়া দলের সবাইকে গত দুই ম্যাচে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলিয়েছেন কোচ। ফাইনাল সামনে রেখে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পাঠানো ভিডিও বার্তায় গোলরক্ষক রানা বলেন, সুযোগ কাজে লাগাতে মুখিয়ে তারা।

কাল আমাদের সামনে বড় একটা সুযোগ আছে। আমরা দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই। দীর্ঘদিন আমরা দেশের বাইরে চ্যাম্পিয়ন হতে পারিনি। অবশ্যই আমরা চাই নেপালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হতে। খেলোয়াড়রা সবাই ভালো মুডে আছে। গত দুই ম্যাচে সবাই ভালো পারফরম্যান্স করেছে। আশা করি, তারা আগামীকাল সে ধারাবাহিকতা ধরে রাখবে।





Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »